Connect with us

লাইফ স্টাইল

সাইনোসাইটিসের সমস্যায় করণীয়

সাইনোসাইটিসের ব্যথা মূলত কোন সাইনাস আক্রান্ত হয়েছে, তার ওপর অনেকাংশ নির্ভর করে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, ম্যাক্সিলারি সাইনাসের ব্যথা ও ম্যাক্সিলারি সাইনাসের অবস্থানের ওপর, অর্থাৎ নাকের পাশে, গাল, দাঁত কিংবা মুখ বা মুখমণ্ডলের আশপাশে এ ব্যথা হয়ে থাকে। এ ধরনের মাথাব্যথার সঙ্গে সঙ্গে মাথার মধ্যে হালকা শূন্যতা অনুভূত হয়।

সাইনাস যখন আক্রান্ত হয়, তখন তার নিঃসৃত পুঁজজাতীয় পদার্থ নাকের মধ্যে এসে প্রদাহের সৃষ্টি করে। সাইনাস ফুলে অনেক সময় নাক বন্ধের কারণ হয়ে দেখা দিতে পারে। নাকের মধ্যে কোনো বাধা, যেমন- ডিএনএস বা নাকের মাংস বড় হয়ে যাওয়া সাইনোসাইটিসের কারণ হতে পারে। সুতরাং এসব কারণ উদ্ঘাটন সাইনোসাইটিস রোগের মুখ্য উদ্দেশ্য হয়ে থাকে। তাই এগুলোর চিকিৎসা করালে সাইনোসাইটিস ভালো হয়ে যায়।

সাইনোসাইটিসের প্রদাহজনিত কারণে নাক থেকে পুঁজ বা পুঁজজাতীয় পদার্থ বের হয়। এ উপসর্গ ছাড়াও শিশু-কিশোরদের সাইনোসাইটিসের বাড়তি কিছু উপসর্গ দেখা যায়। বিশেষ করে তাদের চোখ ও চোখের পাতা ফোলা ফোলা থাকে।

মাঝেমধ্যে নাক বন্ধ, মুখ হাঁ করে ঘুমানো, মুখ ও নাক থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়া, নাক ডাকা, অত্যধিক লালা ঝরা, ঘন ঘন কাশি, আবার কোনো কোনো সময় বমি ইত্যাদি নিয়মিত হতে থাকে। এসব উপসর্গ খতিয়ে দেখে চিকিৎসা করলে এ রোগ থেকে মুক্তির পাশাপাশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তাই সমস্যার শুরুতেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

লেখক: অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, নাক কান গলা (ইএনটি) বিভাগ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Title

Title

error: Content is protected !!